হত্যা চেষ্টার অভিযোগ
দশমিনা প্রতিনিধি:
শনিবার রাত সাড়ে ৭টায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার পশ্চিম আলীপুরা গ্রামের এক যুবককে সন্ত্রাসী কর্তৃক অপহরণ শেষে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ।
এলাকা ও থানা সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তরকে কেন্দ্র করে সরকার দলীয় এক নেতার সাথে সংঘর্ষ হয়। ঐ সংঘর্ষে সূত্র ধরে পশ্চিম আলীপুরা গ্রামে নুর হোসেন মৃধার ছেলে মাইক্রো চালক শহিদ (২৬)কে একই এলাকার মজিদ মজুমদারের ছেলে তোফায়েলসহ অজ্ঞাত ১০/১২জন সন্ত্রাসী স্লুইজ বাজার থেকে অপহরণ করে উপজেলা সদরের আব্দুর রসিদ তালুকদার বাড়ীর দক্ষিণ পাশে বিলের ভিতরে হত্যার চেষ্টা চালায়। মাইক্রো চালক শহিদ এর আর্ত-চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। মুমূর্ষ অবস্থায় শহিদকে দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঐ রাতেই পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এলাকার একটি সূত্র জানায়, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এলাকার আধিপত্যকে বিস্তার করে উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক তাহীন ওরফে টাইগার তাহীন এর সাথে শহীদের সংঘর্ষ হয়েছিল। আহত শহীদের ভাই মোহাম্মাদ হোসেন এ প্রতিনিধিকে জানান, ঐ সংঘর্ষের সূত্র ধরে পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে অপহরণ শেষে হত্যার চেষ্টা করে। এর আগে উপজেলা সদরের তালুকদার বাড়ীর দক্ষিণ পাশের ঐ বিলে মোটর সাইকেল চালক আঃ আলীমকে অপহরণ শেষে হত্যা করা হয়েছিল। সন্ত্রাসীদের জন্য এই স্থান হত্যা, অপহরণ ও নির্যাতনের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে। এ দিকে উপজেলা সদরের এ এলাকায় আইনশৃখলা বাহিনীর নজর না থাকায় একের পর এক সহিংস ঘটে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক তাহীন বলেন, সন্ত্রাসী রাজনীতির সাথে আমরা জড়িত না। ও আমাকে অন্যায়ভাবে মারধর করেছে। আমি তা ক্ষমা করে দিয়েছি। কে বা কাহারা শহীদকে মারছে এ খবর আমার জানা নাই। থানার ওসি মোঃ মোবারক আলী এ প্রতিনিধিকে জানান, ঘটনাটি শুনেছি। আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।
দশমিনা প্রতিনিধি:
শনিবার রাত সাড়ে ৭টায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার পশ্চিম আলীপুরা গ্রামের এক যুবককে সন্ত্রাসী কর্তৃক অপহরণ শেষে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ।
এলাকা ও থানা সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তরকে কেন্দ্র করে সরকার দলীয় এক নেতার সাথে সংঘর্ষ হয়। ঐ সংঘর্ষে সূত্র ধরে পশ্চিম আলীপুরা গ্রামে নুর হোসেন মৃধার ছেলে মাইক্রো চালক শহিদ (২৬)কে একই এলাকার মজিদ মজুমদারের ছেলে তোফায়েলসহ অজ্ঞাত ১০/১২জন সন্ত্রাসী স্লুইজ বাজার থেকে অপহরণ করে উপজেলা সদরের আব্দুর রসিদ তালুকদার বাড়ীর দক্ষিণ পাশে বিলের ভিতরে হত্যার চেষ্টা চালায়। মাইক্রো চালক শহিদ এর আর্ত-চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। মুমূর্ষ অবস্থায় শহিদকে দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঐ রাতেই পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এলাকার একটি সূত্র জানায়, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এলাকার আধিপত্যকে বিস্তার করে উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক তাহীন ওরফে টাইগার তাহীন এর সাথে শহীদের সংঘর্ষ হয়েছিল। আহত শহীদের ভাই মোহাম্মাদ হোসেন এ প্রতিনিধিকে জানান, ঐ সংঘর্ষের সূত্র ধরে পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে অপহরণ শেষে হত্যার চেষ্টা করে। এর আগে উপজেলা সদরের তালুকদার বাড়ীর দক্ষিণ পাশের ঐ বিলে মোটর সাইকেল চালক আঃ আলীমকে অপহরণ শেষে হত্যা করা হয়েছিল। সন্ত্রাসীদের জন্য এই স্থান হত্যা, অপহরণ ও নির্যাতনের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে। এ দিকে উপজেলা সদরের এ এলাকায় আইনশৃখলা বাহিনীর নজর না থাকায় একের পর এক সহিংস ঘটে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক তাহীন বলেন, সন্ত্রাসী রাজনীতির সাথে আমরা জড়িত না। ও আমাকে অন্যায়ভাবে মারধর করেছে। আমি তা ক্ষমা করে দিয়েছি। কে বা কাহারা শহীদকে মারছে এ খবর আমার জানা নাই। থানার ওসি মোঃ মোবারক আলী এ প্রতিনিধিকে জানান, ঘটনাটি শুনেছি। আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।